Dr.Kamruzzaman
প্রকৃত ধার্মিক কারো ক্ষতি করতে পারে না/করোনায় গরিবের ঈদ/বিভিন্ন ধর্মে মূর্তিপূজা ও ভাস্কর্য নির্মাণ/মহান বিজয় মাস ও নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা/বিজয়ের মাসে নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা/দক্ষ জনশক্তির অভাব ও বেকারত্ব/মহানবী সা.-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন চরম ঔদ্ধত্যের পরিচায়ক/ধর্ম ও ধর্মীয় সংস্কৃতি এবং একজন অধ্যাপকের মূর্খতা/নতুন প্রজন্মের কথা ভাবতে হবে/নতুন বছরে নতুনদের চাওয়া/বাংলা থেকে হারিয়ে যাওয়া মূল্যবোধ!!/Past and present of Islamic education in Bangladesh (part-1)/Past and present of Islamic education in Bangladesh (concluding part)/নতুন বছরে নতুনদের চাওয়া/বাংলাদেশে ইসলামী শিক্ষা/বাংলাদেশে ইসলামী শিক্ষা/টেকসই পানি উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা কেন জরুরি/টেকসই পানি উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা/জেরুজালেম : রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/ক্রুসেড ও বর্তমান বাস্তবতা/ধর্ম ও রাষ্ট্রের সংঘাত/ঐতিহাসিক স্পেন: মুসলিমদের আগমন ও বিজয়/উন্নত পানিব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা জরুরি/বাংলাদেশে ইসলামী শিক্ষা/বাংলাদেশে ইসলামী শিক্ষা/নতুন বছরে নতুনদের চাওয়া/ইবির ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামী শিক্ষা অনুষদ এত অবহেলিত কেন?/বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম, নাস্তিকতা ও সালাম প্রসঙ্গ/জেরুজালেমঃ রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/জেরুজালেমঃ রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/জেরুজালেমঃ রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/জেরুজালেমঃ রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/জেরুজালেমঃ রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/জেরুজালেমঃ রক্তাক্ত এক দুঃখের নগরী/অটোমান সাম্রাজ্য থেকে আধুনিক তুরস্ক/অটোমান সাম্রাজ্য থেকে আধুনিক তুরস্ক/অটোমান সাম্রাজ্য থেকে আধুনিক তুরস্ক/অটোমান সাম্রাজ্য থেকে আধুনিক তুরস্ক/আফগান শাসনের অতীত ও বর্তমান/আফগান শাসনের অতীত ও বর্তমান/আফগান শাসনের পূর্বাপর/ধর্ম ও রাষ্ট্রের সংঘাত প্রসঙ্গ/ধর্ম ও রাষ্ট্রের সংঘাত প্রসঙ্গ/ধর্ম ও রাষ্ট্রের সংঘাত প্রসঙ্গ/বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি/বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি/যাকাত: দেশের দারিদ্র্যমুক্তির শ্রেষ্ঠ উপায়/বর্তমান প্রস্তাবিত বাজেট: প্রতিক্রিয়া ও পরামর্শ/বাজেটে জাকাতকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে/Proposed budget: Response and suggestions/Proper management of water in Islam/রোজা জীবনেরই অপরিহার্য অনুষঙ্গ/শিক্ষাকে বাঁচান, শিশু বাঁচবে/শিক্ষা বাঁচলে দেশ বাঁচবে/শিক্ষাকে বাঁচান, শিশু বাঁচবে/রক্তাক্ত ফিলিস্তিনের অতীত ও বর্তমান/রক্তাক্ত ফিলিস্তিনের অতীত ও বর্তমান/ঐতিহাসিক স্পেনঃ মুসলিমদের আগমন , ও বিজয়/মুসলিমদের আগমন বিজয়/স্পেনঃ মুসলিমদের আগমন,বিজয়/স্পেনঃ মুসলিমদের আগমন,বিজয়/লকডাউনে কঠোরতা: উপায়হীন দিনমজুর/লকডাউনে কঠোরতা: উপায়হীন দিনমজুর/তরুণদের ভাবনায় দেশের উন্নয়ন ও সুবর্ণজয়ন্তী/তরুণদের ভাবনায় দেশের উন্নয়ন ও সুবর্ণজয়ন্তী/তরুণদের ভাবনায় দেশের উন্নয়ন ও সুবর্ণজয়ন্তী/নাগরিক চাহিদা ও অধিকারসমূহ/নাগরিক চাহিদা ও অধিকারসমূহ/আদর্শ রাজনীতির পরিচয়/আদর্শ রাজনীতির পরিচয়/তারুণ্যের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ কতদূর/তারুণ্যের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ কতদূর/স্বাধীনতা ও বিজয়ের তাৎপর্য/রাজনীতির নানা মারপ্যাঁচ/গুচ্ছপদ্ধতি এবং ইবির ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামী শিক্ষা অনুষদ/ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামী শিক্ষা/মহানবী (স.) মাতৃভূমিকে অনেক ভালবাসতেন/মহানবী (স.) মাতৃভূমিকে অনেক ভালবাসতেন/মহানবী মুহাম্মাদ (স.) সৃষ্টির সেরা উপহার/মহানবী মুহাম্মাদ (স.) সৃষ্টির সেরা উপহার/মহানবী মুহাম্মাদ (স.) সৃষ্টির সেরা উপহার/দেশে আরবী ও ইসলামী শিক্ষা অবহেলিত কেন?/নতুন বছরের প্রত্যাশা/বাংলা থেকে হারিয়ে যাওয়া মূল্যবোধ!!/বাংলা থেকে হারিয়ে যাওয়া মূল্যবোধ!!/জাতীয় মূল্যবোধ এখন নির্বাসিত/স্বাধীনতা ও বিজয়ের ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি/স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাশিক্ষার বৈষম্য/শোকাবহ আগস্ট মাসের আহ্বান/বঙ্গবন্ধু, যিনি জাতির জন্য জীবন দিয়ে গেছেন/নাগরিক চাহিদা ও অধিকারসমূহ/বিশ্বময় মহামারি/দুর্নীতি রোধ করা এখন সবচেয়ে বড় দাবি/আধুনিক ও ইসলামী শিক্ষার মধ্যে বিভাজন বিস্তার লাভ করেছে/বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হাল মেনে নেওয়া যায় না/পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় লক্ষ্যচ্যুত হয়ে পড়েছে/উন্নয়নের সঙ্গে আরো যা করতে হবে/আধুনিক ও ইসলামী শিক্ষার মধ্যে পার্থক্য/উন্নয়নে রাষ্ট্রের করণীয়/নৈতিক শিক্ষার অভাবে কিশোর অপরাধ বাড়ছে

বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম, নাস্তিকতা ও সালাম প্রসঙ্গ

Adherents.com এর প্রতিবেদন অনুযায়ী পৃথিবীতে মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ২০৬ টি। এর মধ্যে খৃস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ১২৬ টি। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ৫৭ টি, হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ৩ টি, বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ১০ টি। মোট ধর্মের সংখ্যা ৪,৩০০ টি। প্রধান ধর্ম ১০ টি। বিশ্বজনসংখ্যা রিপোর্ট ২০১৯ অনুযায়ী পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৭৭১.৫০ কোটি। এর মধ্যে খৃষ্টান জনসংখ্যা প্রায় ২৪০ কোটি। মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২০০ কোটি। হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় ১৩০ কোটি। বৌদ্ধ জনসংখ্যা প্রায় ৬০ কোটি। হ্যান ধর্ম চীনের সবচেয়ে বড় ধর্ম। এদের সংখ্যা প্রায় ৪০ কোটি। শিখ ধর্মের অনুসারী মোট ৩ কোটি। এদের প্রায় সবারই বসবাস উত্তর ভারতের পাঞ্জাবে। ইহুদি ধর্মের মোট জনসংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। যার ৫০ ভাগই ইসরায়িলে বসবাস করে। বাহাই ধর্মের মোট ৭০ লাখ অনুসারী বিশ্বের ২০০টির অধিক দেশে বাস করে। জৈন ধর্মের ৪০ লক্ষাধিক লোক বাস করে ভারত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের কিছু দেশে। শিন্তো ধর্মের ৪০ লক্ষাধিক লোক জাপানে বাস করে। আর পৃথিবীতে নাস্তিক জনসংখ্যা প্রায় মোট জনসংখ্যার ২.৩%। (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)।

আর বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৬ লাখ। এর মধ্যে মুসলিম সংখ্যা প্রায় ১৪কোটি ৮৮ লাখ। হিন্দু সংখ্যা প্রায় এক কোটি ৪১ লাখ। খৃষ্টান জনসংখ্যা ৬ লাখের একটু বেশী। বৌদ্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। আর অন্যান্যদের সংখ্যা ২ লাখ ৩০ হাজারের কাছাকাছি। (সূত্রঃ উইকিপিডিয়া)। ধর্মের মূল বক্তব্য হলো একত্ববাদ। আর সব ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থই স্রষ্টার একত্ববাদের কথা শিখায়। আর আলকুরআন ইসলামের শুরু নয়। ইসলাম ধর্মের প্রথম অধ্যাদেশ শুরু হয়েছিলো আদম (আঃ)কে সৃষ্টি ও তাকে পৃথিবীতে প্রেরণের মধ্য দিয়ে। আর শেষ অধ্যাদেশ শেষ হয়েছে মহানবী (স.)কে প্রেরণ ও আল কুরআন নাজিলের মধ্য দিয়ে। হিন্দু গবেষকদের দাবী মতে, তাদের ঋগবেদ ধর্মগ্রন্থ সবচেয়ে বেশী প্রাচীন যার বয়স সাড়ে তিন হাজার বছর। সুতরাং তাদের ধর্মই পৃথিবীতে প্রথম ও প্রাচীন।

আর সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, মানব সভ্যতার বয়স ১ লাখ ৯৬ হাজার বছর। আর এ সভ্যতার প্রথম কারিগর আদম (আঃ)। আর তিনি ছিলেন মুসলিম। এ মুসলিমের হাত ধরেই পৃথিবীতে সভ্যতা নির্মাণ শুরু হয়। অতঃপর বিবর্তনের মধ্য দিয়ে সে সভ্যতা আজ একবিংশ শতাব্দীতে মহীরুহ আকার লাভ করেছে। সুতরাং ইসলামই হচ্ছে প্রাচীন ধর্ম। এ ধর্ম প্রচলিত অন্যান্য ধর্মের মতো কতিপয় আচার সর্বস্ব ধর্ম নয়। এটির আচার, বিধান, সকল হুকুম এমনকি অভিবাদন প্রক্রিয়াটিও আল্লাহর শিখানো। ধর্ম যারা অনুশীলন করেন তারা অত্যন্ত ভদ্র, বিনয়ী আর কালচারড্ হয়ে থাকেন। তাই ধার্মিকগণ একে অপরের সাক্ষাতের সময় নিজ ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী বিভিন্ন বিশুদ্ধ শব্দ ও ভাষা ব্যবহার করে অভিবাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকেন। মুসলিমগণও তার বাইরে নয়। তারা তাদের রব ও নবী (স.) এর শিখানো সুস্পষ্ট ও বিশুদ্ধ রীতি অনুযায়ী তাদের অভিবাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকেন। যেমন কুরআনে উল্লেখ আছেঃ ‘যেদিন তারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে সেদিন তাদের অভিবাদন জানানো হবে ‘সালাম’ বলে।’ (সুরা আাহযাবঃ ৪৪)।

‘জান্নাতে পরম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের বলা হবে ‘সালাম’।’ (সুরা ইয়াসিনঃ ৫৮)। এ সালামের অর্থ হলো, সুস্বাগতম, ওয়েলকাম, তোমাদের আগমন শুভ হোক, তোমরা সুখী থাকো ইত্যাদি কামনা করা। আমরা জানি, প্রতিটি ভাষার বিশুদ্ধ উচ্চারণের গুরুত্ব রয়েছে। বিশুদ্ধ উচ্চারণ ছাড়া অর্থ বিশুদ্ধ হবেনা। ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম। যেমনঃ আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান বলেন, ‘ভাষা আর শব্দের অশুদ্ধ উচ্চারণ কাপড়ের ছিদ্র ও মুখে গুটিবসন্তের দাগের মতো।’ (আল ফাখরী, আল আদাবুস সুলতানিয়্যাহঃ ১/৪৫) ।

ইমাম জুহরী বলেন, ‘বিশুদ্ধ ভাষা আভিজাত্যপূর্ণ।’ সুতরাং বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট ভাষায় কথা বলা ও অভিবাদন জানানো মুসলিম ধর্ম বিশ্বাসের উন্নত সংস্কৃতির অংশ। হিন্দু ও খৃষ্টান ধর্ম বিশ্বাসীগণও তাদের নিজ ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী নমস্কার, গুড মর্নিং ইত্যাদি বিশুদ্ধ শব্দ ব্যবহার করে তাদের অভিবাদন প্রক্রিয়া প্রকাশ করে থাকেন। এর মধ্যে জঙ্গিবাদ খুঁজে পাওয়া নিঃসন্দেহে এক বিরাট আজব ব্যাপার। অনুসন্ধানে নামলে এর পিছনে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বেরিয়ে আসবে। পৃথিবীর সব ধর্মই তার বিধান মতে চলতে বলে। কিন্ত অধিকাংশ মানুষ যুগ যুগ ধরে ধর্মের বিধান মতে না চলে ধর্মকে নিজের স্বার্থে ও মতে ব্যবহার করেছে। ঠিক এমতাবস্থায় পৃথিবীতে তিন শ্রেণির মানুষ গড়ে উড়েছে। আর তারা হলোঃ ১. ধর্ম পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টাকারী আস্তিক। ২. ধর্মবিহীন আস্তিক ও ৩. ধর্মহীন নাস্তিক। আর গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ক্ষুদ্রসংখ্যক নাস্তিকগুলো ধর্ম মানেনা বলে ঘোষণা দিলেও তারা মানবতাবাদের কথা বলেন। অথচ এ মানবতাবাদটা মূলত ধর্মেরই কথা। ধর্মবিহীন আস্তিক আর ধর্মহীন নাস্তিকদের প্রাকটিকাল জীবনদর্শন অনেকটা কাছাকাছি। এ দুই শ্রেণির মানুষের পরিবারে, সামাজিক আচার-আচরণে, সাহিত্যে, সংস্কৃতিতে, অর্থনীতি ও রাজনৈতিক দর্শনে প্রায় একই সুর প্রতিধ্বনিত হতে দেখা যায়। নাস্তিকতার স্লোগান যেহেতু ধর্মীয় সমাজে অচল তাই তারা ধর্মবিহীন প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর আস্তিকদের সহায়ক ও নেয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে থাকে। তারা হীন স্বার্থ উদ্ধারে নিজ আদর্শ মাটি চাপা দিয়ে ক্ষমতাসীনদের পদলেহন, চামচামি আর নির্লজ্জ দলবাজিতে লিপ্ত হয়ে পড়েন। অবস্থা এমন হয়ে পড়ে যে, কখনও কখনও ক্ষমতাসীনগণ লজ্জা আর বেকায়দায় পড়ে যান। মজার ব্যাপার হলো, এদের নিজেদের কোনো কালচার বা সংস্কৃতি নেই। এরা যে আস্তিক সমাজে বাস করে সেই সমাজের বিভিন্ন কালচার ধার করে কখনও বিশুদ্ধ আবার কখনও অশুদ্ধ রীতিতে স্লামালিকুম, গুড মর্নিং ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে থাকেন। যার কোনো বিশুদ্ধ সাহিত্যিক বা ব্যকরণিক রুপ নেই। যেমন অধ্যাপক জিয়া রহমান। জিয়া আরবি শব্দ যার অর্থ ‘আলো’ আর রহমানও আরবী শব্দ যার অর্থ ‘দয়ালু ও করুণাময়’। তাহলে এ নামের অর্থ দাড়ায়, ‘আলো করুণাময়’ কিংবা ‘করুণাময় আলো’। ইংরেজি অনুবাদ করলে হয় Light merciful বা Merciful light. এখানে দুটি আরবী ও ইংরেজি শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যটির কোনো পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় না। কারণ এখানে আরবী ব্যকরণ ও ভাষাগত ভুল হয়েছে। তিনি যদি তার নাম ‘জিয়াউর রহমান’ রাখতেন তাহলে বাক্য সঠিক হতো। তখন এ নামের অর্থ হতোঃ ‘পরম করুণাময় আল্লাহর আলো।’ সুতরাং আসসালামু আলাইকুম বিশুদ্ধ ভাষায় বলতে ও শিখতে ব্যকরণগত বাধ্যবাধকতা যেমন রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে ধর্মীয় ও সংস্কৃতিক বাধ্যবাধকতা। যদি এ বাধ্যবাধকতা অমান্য করা হয় তাহলে জিয়া রহমানের মত জগাখিচুড়ি মার্কা অর্থ প্রকাশ পাবে। এবং এর দ্বারা নিরেট মূর্খতা প্রকাশ পাবে। আরবী ব্যকরণ জানা থাকলে এরকমভাবে নিজের নাম হয়তো জিয়া সাহেব রাখতেন না। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হয়েও তিনি যেমন অজ্ঞতার পরিচয় দিয়ছেন ঠিক তেমনি সালাম এবং আল্লাহ হাফিজ নিয়ে কথা বলেও তেমন অজ্ঞতার পরিচয় দিয়ছেন। এক্ষেত্রে আমাদের সুস্পষ্ট বক্তব্য হলো, উনি যদি অজ্ঞতাবশতঃ বলে থাকেন তাহলে শুধরে নিবেন। আর এদেশের ১৭ কোটি আস্তিকের কাছে ক্ষমা চাইবেন। আর যদি উনি নাস্তিক হয়ে থাকেন তাহলে সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে ১৫ কোটি মুসলিমের ধর্মীয় অনুভূতিতে তিনি আঘাত দিতে পারেন না। এ অপরাধে তাকে যথাযথ আইনের আওতায় আনা হোক। অন্যদিকে তিনি সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে এক অরাজক পরিবেশ সৃষ্টি করার পায়তারা করছেন কি না সেটাও কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা উচিত বলে দেশপ্রমিক জনতা মনে করছে ও দাবি জানাচ্ছে।

 

দৈনিক যুগান্তর ২৮ অক্টোবর ২০২০

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments

ABOUT ME

প্রফেসর,
দা’ওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ।

সকল ক্যাটাগরী

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x